অমিত সরকার, কলকাতা: স্বাধীনতার পর থেকে ভারত চেষ্টা করছে দুই দেশের সঙ্গে শত্রুতা মিটিয়ে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দেবার। যখন মোদী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আসনে বসেন তারপরও কিন্তু সে চেষ্টা হয়েছিল। তবে ভারত বারবার বন্ধুদের হাত বাড়িয়ে দিলেও প্রতিবেশীর মানসিকতায় কোন বদল হয়নি, উল্টে বন্ধুত্বের পাল্টা প্রতিবারই মিলেছে বিশ্বাসঘাতকতা। তবে বর্তমানে রবিবার এক সাক্ষাৎকারে সন্ত্রাসবাদের জনক পাকিস্তানকে কার্যত তুলোধোনা করলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুধু পাকিস্তান নয় তার পাশাপাশি ভারতের আরেক প্রতিবেশী চীন কেউ বার্তা দিলেন তিনি।
নরেন্দ্র মোদী একটি সাক্ষাৎকারে বলেছেন যে,”আমি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে পাকিস্তানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলাম, যাতে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের নতুন সূত্রপাত ঘটে, তবে সদর্থক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। প্রতিবারই আমরা ওপার থেকে বিশ্বাসঘাতকতা পেয়েছি। এমতাবস্থায় আমরা শুধু আশা করতে পারি ওদের যেন সৎ বুদ্ধির উদয় হয় এবং শান্তির পথে হাটে। এর ফলে ওখানকার জনতা অত্যন্ত বিরক্ত।” পাশাপাশি কড়া সুরে পাকিস্তানকে সন্ত্রাসবাদের জনক বলে আক্রমণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন গোটা বিশ্ব জানে যে সন্ত্রাসবাদের শিকড় কোথায় রয়েছে, চিরকাল সন্ত্রাসবাদের কেন্দ্র হয়ে রয়েছে ওরা। বিশ্বের যেখানে জঙ্গি হামলা হোক না কেন, কোনও না কোনও ভাবে তার যোগসূত্র মেলে পাকিস্তানে।
সেদিন প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন যে বারবার শত্রুতাকে দূরে সরিয়ে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়েছি আমরা তা সে লাহোর যাত্রা হোক বা আমার শপথ আমন্ত্রণ। তবে ভারতের পক্ষ থেকে যতবারই বন্ধুত্বের হাত বাড়ানো হয়েছে ততবারই মিলেছে বিশ্বাসঘাতকতা ও বিরোধিতা। এখন পাকিস্তানের জনতা চায় হিংসা ও ভয় মুক্ত পরিবেশ। আশা করব পাকিস্তান নিজের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে সঠিক পথে চলবে এবং তাদের সৎ বুদ্ধির উদয় হবে।